চার নং প্রশ্নের উত্তর।
(ক)১৭ বার ভারত অভিযান পরিচালনা করেন।
(খ) উত্তর নং ১/ রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের জন্য অর্থের প্রয়োজন তিনি অনুভব করেছিলেন এবং ভারত সে সুযোগ দান করলে তিনি তা গ্রহণ করেন। ভারত থেকে সংগৃহীত অর্থ তিনি স্বীয় রাজধানী গজনীর উন্নতির জন্য ব্যয় করেছিলেন। অথবা
উত্তর নং ২/রাজনৈতিক কারণ ও খ্যাতির মোহ: মাহমুদ চেয়েছিল সে হবে দিগ্বিজয়ী যোদ্ধা যাতে তার কথা মানুষ চিরদিন মনে রাখে। কিছু কিছু ইতিহাসবিদগণ যুক্তি দেখিয়েছেন, মাহমুদের উদ্দেশ্য ছিল ভারত বিজয় করে সেখানে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু মাহমুদের ভারত আক্রমণ পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ১৭ বার সফলভাবে ভারত আক্রমণ করে বিজয় অর্জন করলেও এই অঞ্চলে স্থায়ী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেনি। যদিও মাহমুদ শুধু পাঞ্জাবকে গজনবী সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেছিল। স্ট্যানলি লেন পুলের মতে, সেই সময় তুর্কিরা হয়ত ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাসের কথা চিন্তা করেনি। বলা হয়ে থাকে, উচ্চাভিলাষী মাহমুদের মনে সুপ্ত ইচ্ছা ছিল ভারত জয় করে বীরের খ্যাতি অর্জন করবে, ইসলামের ইতিহাসে তার চিরদিন লেখা হবে শ্রদ্ধার সাথে।
নয় নং প্রশ্নের উত্তরঃ
(ক)সৈয়দ আমীর আলী
(খ)বাংলার নবজাগরণ: বাংলার নবজাগরণ বলতে বোঝায় ব্রিটিশ রাজত্বের সময় অবিভক্ত ভারতের বাংলা অঞ্চলে ঊনবিংশ ও বিংশ শতকে সমাজ সংস্কার আন্দোলনের জোয়ার ও বহু কৃতি মনীষীর আবির্ভাবকে। মূলত রাজা রামমোহন রায়ের (১৭৭৫-১৮৩৩) সময় এই নবজাগরণের শুরু এবং এর শেষ ধরা হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) সময়ে, যদিও এর পরেও বহু জ্ঞানীগুণী মানুষ এই সৃজনশীলতা ও শিক্ষাদীক্ষার জোয়ারের বিভিন্ন ধারার ধারক ও বাহক হিসাবে পরিচিত হয়েছেন। ঊনবিংশ শতকের বাংলা ছিল সমাজ সংস্কার, ধর্মীয় দর্শনচিন্তা, সাহিত্য, সাংবাদিকতা, দেশপ্রেম, ও বিজ্ঞানের পথিকৃৎদের এক অন্যন্য সমাহার যা মধ্যযুগের অন্ত ঘটিয়ে এদেশে আধুনিক যুগের সূচনা করে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন