আবরার ও বিশ্বজিৎরা তাও তো মিডিয়া কাভারেজ পেয়েছে। তাদের নিয়ে সারাদেশে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু আমি বা আপনি মরে গিয়ে কতটুকু মূল্যায়িত হব, তা কিন্তু কেউ জানে না! আদৌ গণমাধ্যমের সংবাদ শিরোনাম হতে পারব, তা-ও কিন্তু নিশ্চিত নয়। নীরবে কত মানুষ হারিয়ে যায়! আর সময়ের ব্যবধানে সবাইকেই মানুষ ভুলে যায়। সিলেটের ইলিয়াস আলী, বা সাগর-রুনিদের মানুষ কতটুকুই বা স্মরণ রেখেছে!
আবরারকে নিয়ে তো ইসলামপন্থীরাও বলছে। কিন্তু আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ মায়মুন বা আতীক উল্লাহরা তো নীরবেই হারিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ চলে যাচ্ছে না ফেরার দেশেও। এখানে বাঁচতে চাইলে তামকিন লাগবে। আর তামকিন না থাকলে মরে যাওয়াই শ্রেয়। কারণ, এটা এমন এক জামানা, যখন ভূগর্ভ ভূপৃষ্ঠের চাইতে ঢের উত্তম। ফিতনার যুগে যারা ছাগল নিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে আশ্রয় নেয় বা যারা দীন বাচানোর জন্য আসহাবে কাহাফের মতো কোনো গুহায় চলে যায়, তারাই নিরাপদ থাকে। কিন্তু আমাদের যাওয়ার জন্য তো অমন জায়গাও নেই।
বেঁচে থাকলে সিদ্দিক হও। সব গোনাহ থেকে নিজেকে পাক রাখো। তাওবা করে প্রতিমুহূর্তে নিজেকে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত রাখো। কারণ, যেকোনো সময় অকস্মাৎ তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটতে পারে মৃত্যুর ফেরেশতার। একদিন না একদিন তো মরতেই হবে। আর মৃত্যু যথাসময়েই আসবে। কেউ অকালে মারে না। কেউ তাকদির ও নির্ধারিত ক্ষণ ডিঙাতে পারে না। সেই মৃত্যু যদি বিছানায় হয়, তবে তো স্বাভাবিক মৃত্যুই বরণ করলে। আর সেই মৃত্যু যদি জালিমের আঘাতে হয়, তাহলে শাহাদাতের মর্যাদা পেলে। আর মৃত্যু যদি আল্লাহর কালিমাকে সমুন্নত করার পথে হয়, তাহলে প্রকৃত শহিদ হলে।
যার গায়ে আল্লাহর পথের কোনো চিহ্ন নেই, সে ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় আল্লাহর সঙ্গে মিলিত হবে। (আল-হাদিস) যে আল্লাহর পথে কখনো বের হয়নি বা বের হওয়ার তামান্নাও লালন করেনি, সে একপ্রকার মুনাফিক হয়ে মরবে। (আল-হাদিস) যে আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত হওয়া সত্ত্বেও তাগুতের ভয়ে পরিপূর্ণ ইসলাম পালন করেনি বা ইসলাম প্রতিষ্ঠার কোনো গরজ অনুভব করেনি, সে জাহান্নামে যাবে। (আল-কুরআন) যে জালিমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়নি, যে ইসলামের বিজয়ে শরিক থাকেনি, সে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রাপ্ত হবে। (আল-কুরআন)
collected
আবরারকে নিয়ে তো ইসলামপন্থীরাও বলছে। কিন্তু আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ মায়মুন বা আতীক উল্লাহরা তো নীরবেই হারিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ চলে যাচ্ছে না ফেরার দেশেও। এখানে বাঁচতে চাইলে তামকিন লাগবে। আর তামকিন না থাকলে মরে যাওয়াই শ্রেয়। কারণ, এটা এমন এক জামানা, যখন ভূগর্ভ ভূপৃষ্ঠের চাইতে ঢের উত্তম। ফিতনার যুগে যারা ছাগল নিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে আশ্রয় নেয় বা যারা দীন বাচানোর জন্য আসহাবে কাহাফের মতো কোনো গুহায় চলে যায়, তারাই নিরাপদ থাকে। কিন্তু আমাদের যাওয়ার জন্য তো অমন জায়গাও নেই।
বেঁচে থাকলে সিদ্দিক হও। সব গোনাহ থেকে নিজেকে পাক রাখো। তাওবা করে প্রতিমুহূর্তে নিজেকে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত রাখো। কারণ, যেকোনো সময় অকস্মাৎ তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটতে পারে মৃত্যুর ফেরেশতার। একদিন না একদিন তো মরতেই হবে। আর মৃত্যু যথাসময়েই আসবে। কেউ অকালে মারে না। কেউ তাকদির ও নির্ধারিত ক্ষণ ডিঙাতে পারে না। সেই মৃত্যু যদি বিছানায় হয়, তবে তো স্বাভাবিক মৃত্যুই বরণ করলে। আর সেই মৃত্যু যদি জালিমের আঘাতে হয়, তাহলে শাহাদাতের মর্যাদা পেলে। আর মৃত্যু যদি আল্লাহর কালিমাকে সমুন্নত করার পথে হয়, তাহলে প্রকৃত শহিদ হলে।
যার গায়ে আল্লাহর পথের কোনো চিহ্ন নেই, সে ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় আল্লাহর সঙ্গে মিলিত হবে। (আল-হাদিস) যে আল্লাহর পথে কখনো বের হয়নি বা বের হওয়ার তামান্নাও লালন করেনি, সে একপ্রকার মুনাফিক হয়ে মরবে। (আল-হাদিস) যে আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত হওয়া সত্ত্বেও তাগুতের ভয়ে পরিপূর্ণ ইসলাম পালন করেনি বা ইসলাম প্রতিষ্ঠার কোনো গরজ অনুভব করেনি, সে জাহান্নামে যাবে। (আল-কুরআন) যে জালিমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়নি, যে ইসলামের বিজয়ে শরিক থাকেনি, সে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রাপ্ত হবে। (আল-কুরআন)
collected
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন